শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ০৬:৪৯ পূর্বাহ্ন
মেট্রোরেলের ভেতর বাদাম খাওয়া নিয়ে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন কয়েকজন যাত্রী। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেই বিষোদগার করছেন। কেউ কেউ বলছেন, এরা কারা? কোথা থেকে আসছে? লজ্জা নেই এদের। কেউ আবার বলছেন, জরিমানা চালু করা উচিত। ট্রেনেও মেট্রো পুলিশের টহল থাকা উচিৎ।
সালমান এলেক্স লিখেছেন, ‘ভাই মেট্রোতে কাউকে নোংরা করতে দেখলে সরাসরি মানা করবেন। প্রত্যেক দরজায় লেখা আছে ময়লা ফেলা ও খাওয়া নিষেধ মেট্রোতে। এটা ঢাকা চট্টগ্রাম ট্রেন না। ১৫-২০ মিনিট কিছু না খাইলে অনাহারে শুঁটকি হয়ে যাবে না কেউ।’ শাহিন লিখেছেন, ‘ট্রেনেও মেট্রো পুলিশের টহল থাকা উচিৎ। এ ধরনের লোককে তাৎক্ষণিক জরিমানা করলে বাকিদের শিক্ষা হবে।’
রিজভী শাহরিয়ার লিখেছেন, ‘গণপরিবহণগুলোকে জঘন্যতমভাবে নোংরা করে এই ছোলা বাদাম খোররা! প্রতিটি ট্রেন, বাস, ওয়াটার ট্যাক্সি, স্টেশন, টার্মিনালসহ সুন্দর পরিষ্কার পরিবহন ও স্থাপনাগুলোকে নিমিষেই নোংরা ও ময়লার ভাগাড় বানিয়ে চলে যায় এইসব বাদাম খোরেরা। একটা ঠোংগায় বাদাম নিয়ে উঠে, খোসা ছিঁড়ে নিচে ফেলে, ছোলা ফুঁ দিয়ে ওড়িয়ে দেয়, কি জঘন্য কুতসিত দৃশ্য! আমার পাশে দেখলেই একদম কড়াভাবে মানা করি। আফসোস যে এরা এখন এখন মেট্রোরেলেও চলে এসেছে! এদেরকে শাস্তির আওতায় আনা উচিত।’
মেট্রোরেলের ভেতর বাদামের খোসা পড়ে থাকার একটি ছবি শেয়ার করে ফাহাদ মাহবুব লিখেছেন, ‘আজ যখন ৫টা ৫০ এর ট্রেনে মতিঝিল থেকে উঠলাম, সিট পেয়ে বসতে পেরে যতটুকু খুশি হলাম, সেটা নিমিষেই উধাও হয়ে গেল এই দৃশ্য দেখে। ট্রেন যেহেতু স্টেশনে দাঁড়ানো ছিলো, আমার পাশে বসা ভদ্রলোক সিট থেকে উঠে, একজন ক্লিনার কে ডেকে ময়লা পরিষ্কার করতে বলেন। কে রে ভাই আপনি, ট্রেনের ভেতর এভাবে ময়লা ফেলে, নির্বিকার বের হয়ে গেলেন? আপনার কি লজ্জা করে না? ধিক্কার জানাই আপনাদের মতো মানুষদের।’
সেখানে লিয়াকত আলি কমেন্ট করেছেন, ‘লজ্জা নেই এদের।’ রফিকুল ইসলাম লিখেছেন, ‘যতই বলুক বিবেক দরকার, সাথে সাথে কঠোর আইন দরকার, সাথে সি সি ক্যামেরার এ্যাকশন, তাহলে কিছু ভালো আসা করতে পারবেন।’ ফাতিমা জোহরা লিখেছেন, ‘একটু কষ্টও লাগলো না ,পরিষ্কার জায়গাটা নোংড়া করে যেতে!’
মাহমুদুল হাসান পারভেজ লিখেছেন, ‘কোট-টাই পরা সভ্য লোকের কাজ। শিক্ষিত হলেই হয় না মানবিকতা থাকতে হয় চলাফেরা আচার আচরণে।’ তাহমিনা রহমান তানিম লিখেছেন, ‘আজকে দেখলাম মিরপুর ১০-এ একজন ভদ্রলোক পান খাচ্ছেন আর পানের পিক ফেলতেছেন। কিছুই বলার নাই, একদল লোক মেট্রো স্টেশনকে কমলাপুর বানানোর জন্য উঠে পরে লাগছে।’